Breaking News
Home / বাংলা টিপস / সুস্থ সন্তান জন্মের জন্য স্বামী-স্ত্রীর করণীয়

সুস্থ সন্তান জন্মের জন্য স্বামী-স্ত্রীর করণীয়

সন্তান নেওয়ার আগে প্রত্যেক দম্পতির নানা পরিকল্পনা থাকে। অনাগত সন্তানের সুস্থ-স্বাভাবিক আগমনে তারা গ্রহণ করেন নানা পদক্ষেপ।

সুস্থ সন্তানের আগমন নির্ভর করে স্বামী ও স্ত্রীর সুস্থতার ওপর। একটি সুস্থ সন্তান জন্মের জন্য স্ত্রীর বয়স ৩৫ ও স্বামীর বয়স ৪০ বছরের নিচে হলে ভালো হয়। দুজনেরই যদি ২০ বছরের বেশি কোনো ধরনের অসুস্থতা না থাকে, নিয়মিত ওষুধ নেওয়ার মতো অসুখ না থাকে, আত্মীয়তার মধ্যে বিয়ে না হয়, দুজনেরই পরিবারে মা-বাবা, ভাই-বোনের কোনো মারাত্মক রোগ না থাকে, যা বংশ পরম্পরায় হতে পারে, তাদের আমরা সন্তান নিতে বলে থাকি।

সাধারণত আমাদের কাছে সন্তান নেওয়ার আগে পরামর্শের জন্য কোনো দম্পতি এলে এ বিষয়গুলো জেনে নেই। এ ছাড়া আমরা স্বামী-স্ত্রীকে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করি। যেমন, উচ্চতা ও ওজন ঠিক আছে কিনা? আমাদের সন্দেহ হলে দু-একটি পরীক্ষার প্রয়োজন পড়ে। সাধারণত কোনো দম্পতি যদি যৌন জীবনে সুখী হয়, তাহলে তাদের আমরা শুধু ফলিক এসিড দেই এবং সন্তান নিতে বলি।

প্রেসরেন্সিতে হরমোনাল মেডিসিনের ঝুঁকি
হরমোনাল ট্রিটমেন্ট নিলে প্রথমে জানতে হবে কী ধরনের ট্রিটমেন্ট নিচ্ছেন? প্রেগনেন্সি একটি ফিজিওলজিক্যাল পরিবর্তন। আপনি যে হরমোনের চিকিৎসা নিয়েছেন, সেটি যদি আপনার জীবনের জন্য খুব বেশি জরুরি হয়, মনে রাখতে হবে এটি প্রেগনেন্সির জন্যও সমান জরুরি। তবে এই ট্রিটমেন্টে বাচ্চার ওপর কোনো প্রভাব আছে কিনা তা জানতে হবে। ফিজিওলজিক্যাল কিছু পরিবর্তন প্রেগনেন্সিতে হয়ে থাকে। এ সময় আমাদের রক্ত অনেক বেশি পাতলা হয়ে যায়। ফলে যেকোনো ড্রাগের পরিমাণ অনেক সময় বাড়াতে-কমাতে হয়। এজন্য আপনি কীভাবে হরমোনের চিকিৎসা নিচ্ছেন, তা আপনার বাচ্চার জন্য কোনো সমস্যা তৈরি করবে কিনা জানতে হবে। এজন্য আপনাকে একজন চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

হাঁচি-কাশির সময় ইউরিন লিকে করণীয়
সাধারণত ওজন বেশি থাকলে এ ধরনের সমস্যা হয়। এর বাইরে সন্তান ডেলিভারির পরও এমন হয়। ওজন কমালে বা নিয়ন্ত্রণ করলে এবং পেরিনিয়াল এক্সারসাইজ করলে এ সমস্যা থাকে না। গুরুতর কিছু না হলে আমরা সার্জারির পরামর্শ দেই না। ওজন কমানোর সাথে চা-কফি পান কমিয়ে দেয়া, প্রস্রাব আসামাত্র করতে হবে। পেরিনিয়াল ব্যায়াম দিনে চারবার করতে হবে (সরাসরি না দেখিয়ে দিলে সম্ভব নয়)। এসব করলে কিছুদিনের মধ্যে সাধারণত সমস্যাগুলো ভালো হয়ে যায়।

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, প্রস্রাবের থলি নেমে যাওয়ায় এ সমস্যা হয়। তখন অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ঠিক করে দিলেই সমাধান মেলে। প্রথম কথা হচ্ছে, আপনার অতিরিক্ত ওজন থাকলে, কমাতে হবে। প্রস্রাবে ইনফেকশন থাকলেও এ ধরনের সমস্যা হতে পারে। তখন অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে এবং তিনি যে অ্যান্টিবায়োটিক দিবেন, তা নিয়ম মতো খেতে হবে।

Check Also

ফোনের চার্জারের তার ছোট হয় কেন?

স্মার্টফোনের প্রাণ সচল রাখতে চার্জারের বিকল্প নেই। সারাক্ষণ স্মার্টফোনে কোনো না কোনো কাজ করছেন। কখনো …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *