Home / বাংলা টিপস / অপু এসেছিলেন লাইভে, বুবলী ফেসবুকে

অপু এসেছিলেন লাইভে, বুবলী ফেসবুকে

ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা শাকিব খান ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল গুলশানের বাড়িতে কঠোর গোপনীয়তায় নিজের সর্বাধিক সিনেমার নায়িকা অপু বিশ্বাসকে বিয়ে করেন। প্রায় ১০ বছর পর এক সন্তানের খবরের সঙ্গে নিজেদের বিয়ের খবর টেলিভিশন লাইভে প্রকাশ্যে নিয়ে আসেন অপু।

ফের একই কাণ্ড ঘটিয়েছেন ঢালিউড খান। এবার চিত্রনায়িকা শবনম বুবলীও এক সন্তানের খবরের সঙ্গে নিজেদের বিয়ের খবর প্রকাশ্য নিয়ে এসেছেন ফেসবুক পোস্টে।

শুক্রবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে বেশকিছু ছবি পোস্ট করেন এই চিত্রনায়িকা। সেই পোস্টে বুবলী লিখেন, আমরা চেয়েছি একটি শুভ দিনক্ষণ দেখে আমাদের সন্তানকে সবার সম্মুখে আনতে। তবে আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্যই করেন। সেই সুখবরটি জানানোর জন্য আর বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয়নি।

বুবলী বলেন, ‘শেহজাদ খান বীর, আমার এবং শাকিব খান এর সন্তান, আমাদের ছোট্ট রাজপুত্র। আমার সন্তান আমার গর্ব, আমার শক্তি। আপনাদের সবার কাছে আমাদের সন্তানের জন্য দোয়া কামনা করছি।’

শাকিব-বুবরীর ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, বুবলী মা হয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের লং আইল্যান্ড জ্যুইশ মেডিকেল হাসপাতালে। ২০২০ সালের ২১ মার্চ তিনি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন বুবলী। তবে তাঁরা কবে বিয়ে করেছেন এই তথ্য জানাতে পারেনি সূত্রটি।

শবনম বুবলী ‘উধাও’ ছিলেন ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে। সে সময় নানা গুঞ্জন ডালপালা মেলেছে; সবচেয়ে বড় গুঞ্জন ছিল মা হয়েছেন অভিনেত্রী।

এই গুঞ্জন অস্বীকার করে গেল বছরের জানুয়ারিতে প্রকাশ্যে আসেন শবনম বুবলী। জানান, এত দিন আমেরিকায় ছিলেন তিনি, ফিল্ম নিয়ে পড়াশোনা করেছেন নিউইয়র্ক ফিল্ম একাডেমিতে।

২৭ সেপ্টেম্বর হুট করেই ফেসবুকে আমেরিকা থাকাকালীন দুটি ছবি প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছেন শবনম বুবলী। সেই ছবিতে প্রকাশ্যে দেখা যায় নায়িকার বেবি বাম্প। এরপ বুবলীর মা হওয়ার গুঞ্জন আরও জোরালো হয়।

এর আগে সন্তানের খবর প্রকাশ্যে নিয়ে আসায় ২০১৭ সালের ২২ নভেম্বর শাকিব অপুর সঙ্গে বিচ্ছেদের জন্য আবেদন করেন। ২০১৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি এই দম্পতির বিচ্ছেদ হয়। শাকিব-অপুর ১০ বছরের সংসারে একটি ছেলেসন্তানের জন্ম হয়। বিচ্ছেদের পর থেকে জয় মায়ের সঙ্গে থাকে। পড়াশোনা করে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে।

Check Also

রক্তস্বল্পতায় হতে পারে মা ও গর্ভের শিশুর মারাত্মক যেসব ক্ষতি

গর্ভবস্থায় রক্তস্বল্পতা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ একটি অবস্থা। এক্ষেত্রে কেউ আগে থেকেই রক্তস্বল্পতায় ভুগতে পারেন, আবার কেউ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *