Home / বাংলা টিপস / পার্লার না গিয়ে ঘরেই খুব সহজেই করে নিন ‘পার্ল ফেসিয়াল’

পার্লার না গিয়ে ঘরেই খুব সহজেই করে নিন ‘পার্ল ফেসিয়াল’

লকডাউনের কারণে বাইরে বের হওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তাইতো বিপদে আছেন ত্বক সচেতন নারীরা। পার্লারে না যাওয়ার কারণে ত্বকে দেখা দিচ্ছে নানা সমস্যা। এছাড়া অতিরিক্ত কাজের চাপ, নানা রকমের চিন্তা ভাবনা, মানসিক চাপ এবং রাতে ঠিকমতো ঘুম না হওয়া এগুলো শরীরের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের ওপরও প্রভাব ফেলে। এর ফলে ত্বক শুস্ক হয়ে যায়। তাছাড়া মুখের চামড়া কুঁচকে অকালেই বয়সের ছাপ পরে যায়।

ফেসিয়াল বা ফেস ম্যাসাজের ফলে ত্বকের রক্ত চলাচল ভালো ভাবে হয়। ত্বকের মৃত কোষ গুলো পরিষ্কার হয়। ত্বকে অক্সিজেন আদান-প্রদান ঠিক মতো হয়। পার্ল ফেসিয়াল বর্তমানে বহুল আলোচিত। এটি গোল্ড বা ফ্রুট ফেসিয়ালের মতই জনপ্রিয়। পার্ল ফেসিয়াল করতে হলে সব সময় যে পার্লারে যেতে হবে তা কিন্তু নয়। ঘরেই করে নিতে পারেন এই ফেসিয়াল। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক পার্ল ফেসিয়াল করার পদ্ধতি-

যা যা লাগবে
পার্ল ক্রিম, ফ্রেশ ক্রিম, ক্লিঞ্জার, দুধ, পানি বা গোলাপজল, তেল(শুষ্ক ত্বকের জন্য অলিভওয়েল ভালো), লেবুর রস, মধু, ডিম, টোনার।

ব্যবহার পদ্ধতি
প্রথমে মুখমণ্ডল ক্লিঞ্জার দ্বারা ভালোভাবে পরিষ্কার করে নিন। তাছাড়া তুলা দুধের মধ্যে ডুবিয়ে তা দিয়ে মুখমণ্ডল পরিষ্কার করতে পারেন। এবার পরিমানমতো পার্ল পাউডার পানি অথবা গোলাপজলের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। যদি ত্বক শুষ্ক হয় তবে এর সঙ্গে কয়েক ফোঁটা অলিভ অয়েল মেশান।

এবার পেস্টটি মুখমণ্ডলে ৫ মিনিটের মত ম্যাসাজ করুন এবং আরো ৫ মিনিট মুখে রাখুন। এবার পরিষ্কার পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। তারপর মুখ মুছে ত্বক অনুযায়ী পার্ল ক্রিম লাগান। আলতো ভাবে লাগাবেন। খুব বেশি জোরে ঘষবেন না। এতে মুখ লাল হয়ে যেতে পারে। ক্রিম দিয়ে মুখ প্রায় ৫ মিনিট আলতো ভাবে ম্যাসাজ করুন।

এবার একটি ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে পরিমাণমতো মধু, লেবুর রস ও এক চামচ পার্ল পাউডার মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। দাগ থেকে মুক্তি পেতে চাইলে ফ্রেশ ক্রিমের সঙ্গে ১ চামচ পার্ল পাউডার মেশান। এই মাস্কটি ধীরে ধীরে মুখে লাগান। মিশ্রণটি শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সবশেষে টোনার লাগিয়ে নিন। ব্যস হয়ে গেলো, এবার ঘরে বসে পার্ল ফেসিয়াল করে আপনার ত্বকে নিয়ে আনুন।

Check Also

রক্তস্বল্পতায় হতে পারে মা ও গর্ভের শিশুর মারাত্মক যেসব ক্ষতি

গর্ভবস্থায় রক্তস্বল্পতা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ একটি অবস্থা। এক্ষেত্রে কেউ আগে থেকেই রক্তস্বল্পতায় ভুগতে পারেন, আবার কেউ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *